শয়তানের প্রতি ভালোবাসা

শয়তানের প্রতি ভালোবাসা

ঈশ্বরকে ভালোবাসার আগে শয়তানকে (Ego) ভালোবাসা জরুরী। শয়তানের জন্য ঈশ্বরকে বারবার ভালোবাসতে মন চায়।

শয়তান হল ঈশ্বরের ভালোবাসার খাতের সবচেয়ে মূল্যবান ইনভেস্টমেন্ট। নাহলে ঈশ্বরের ভালোবাসার প্রতি এত টানই বা কীভাবে সম্ভব!
এটা এমন যেন ঈশ্বর ভালোবেসেই শয়তান তৈরী করেছেন নিজেই নিজের ভালোবাসা পাবার জন্য। নাহলে তিনি কীভাবে ভালোবাসবেন! শয়তানই তার মূল খেলার বাহক এবং সবচেয়ে বুদ্ধিমান বাহক।

ঈশ্বর তার সমস্ত বুদ্ধি শয়তানে ঢেলে দিয়ে, নিজে নিষ্পাপ শিশুর মত বসে আছেন। সবাই শয়তানকে ব্যস্ত, শয়তানের জয় জয়াকার সব জায়গায়। এত মার্কেটিংয়ের ভেতর ঈশ্বরের ভালোবাসার সময় কই!! কীই বা তার মূল্য? শিশু অবস্থার কী মূল্য। তাই কিছু সময় শিশু অবস্থায় থাকা যায় কিন্তু আবার তো সেই বুদ্ধিমান শয়তানের কাছে ফিরে আসতে হয়। তাই তাকে না ভালোবেসে উপায় আছে!

শয়তানের বুদ্ধির জন্য এতসুন্দর জটিলতা দেখা যায় এই পৃথিবীতে। এগুলো দেখার পর তাকে না ভালোবেসে উপায় নেই।

ঈশ্বর অনুভূতি থেকে শয়তান অনুভূতির প্রজ্ঞা প্রয়োজন এই দুনিয়ায়। ঈশ্বর অনুভূতি আসবে কিন্তু এ যে অমূল্য অনুভূতি আবার সেই দুনিয়ায় আগমন ঘটবে তখন সেই শয়তান অনুভূতির প্রজ্ঞা ছাড়া কী কোন উপায় আছে। তাকে ভালোবাসতেই হবে নাহলে ঈশ্বরের অমূল্য ক্ষণিক অনুভূতি বারবার পাবো কীভাবে!!!

0Shares

নাজিউর রহমান নাঈম

আমিকে খুঁজে বেড়াচ্ছি। কিন্তু সে যে কোথায় লুকাইলো ও এই লোকটি যে তা বড় আশ্চর্যের বিষয়! আমি হারিয়ে যা হল একে কীই-বা বলা যায় বলুন। এখন যাকে দেখছেন সে তো অন্য কাজ করে বেড়াচ্ছে, তার পরিচয়ও নিশ্চয়ই বদলে গেছে। তাহলে আপনি কাকে দেখছেন? দেখছেন আপনাকে আপনার চিন্তাকে যা আপনাকে আমাকে দেখাচ্ছে বা কল্পনা করাচ্ছে। তাহলে শুধু শুধু পরিচয় জেনে কী হবে বলুন। তার চেয়ে বরং কিছু সাইকোলাপ-ই পড়ুন ও নিজেকে হারিকেন নিয়ে খুঁজতে বেরিয়ে পড়ুন। পথিমধ্যে হয়ত কোথাও দেখা হয়েও যেতে পারে!!! সে পর্যন্ত- কিছু কথা পড়ে থাকুক জলে ভেজা বিকালে খুঁজে চলুক এই আমি পিলপিল করে অনন্ত "আমি" র অদৃশ্য পর্দার আড়ালে

You may also like...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *