বিচ্ছিনতাবোধ- একার্ট টুলে

বিচ্ছিনতাবোধ- একার্ট টুলে
বিচ্ছিনতাবোধ  মানে হল তুমি কোন অবস্থায়, কোন জায়গায় কিংবা কারও সাথে, এমনকী নিজের সাথেও শান্তি অনুভব করো না। তুমি সবসময়ই চেষ্টা করো শান্তি (“Home”) পাবার কিন্তু কখনও শান্তি অনুভব করো না। বিংশ শতাব্দীর কিছু মহান লেখকেরা, যেমনঃ ফ্রানৎস কাফকা, আলবার্ট ক্যামু, টি.এস ইলিয়ট এবং জেমস জয়েস বিচ্ছিন্নতাবোধকে মানব অস্তিত্বের বিশ্বজনীন উভয়সংকট হিসেবে উপলব্ধি করেছিলেন। এবং খুব সম্ভবত তারা এটাকে গভীরভাবে তাদের নিজেদের ভেতর অনুভব করেছিলেন। আর এজন্য তারা এই বিচ্ছিনতাবোধকে(Alienation) চমৎকারভাবে তাদের কাজের মাধ্যমে ফুটিয়ে তুলতে পেরেছিলেন। তারা কোন সমাধান দেয়নি। এক্ষেত্রে তাদের অবদান হল মানবজীবনের দূর্ভাগ্যপূর্ণ অবস্থার প্রতিফলন আমাদেরকে দেখানো যাতে করে আমরা এটাকে আরও স্পষ্টভাবে দেখতে পারি। একজনের নিজের দূর্ভাগ্যপূর্ণ অবস্থা স্পষ্টভাবে দেখতে পারাই হল একে ছাড়িয়ে সম্মুখে অগ্রসর হবার প্রথম পদক্ষেপ।
Book Name : A New Earth
Excerpting From Page NO : 129
0Shares

নাজিউর রহমান নাঈম

আমিকে খুঁজে বেড়াচ্ছি। কিন্তু সে যে কোথায় লুকাইলো ও এই লোকটি যে তা বড় আশ্চর্যের বিষয়! আমি হারিয়ে যা হল একে কীই-বা বলা যায় বলুন। এখন যাকে দেখছেন সে তো অন্য কাজ করে বেড়াচ্ছে, তার পরিচয়ও নিশ্চয়ই বদলে গেছে। তাহলে আপনি কাকে দেখছেন? দেখছেন আপনাকে আপনার চিন্তাকে যা আপনাকে আমাকে দেখাচ্ছে বা কল্পনা করাচ্ছে। তাহলে শুধু শুধু পরিচয় জেনে কী হবে বলুন। তার চেয়ে বরং কিছু সাইকোলাপ-ই পড়ুন ও নিজেকে হারিকেন নিয়ে খুঁজতে বেরিয়ে পড়ুন। পথিমধ্যে হয়ত কোথাও দেখা হয়েও যেতে পারে!!! সে পর্যন্ত- কিছু কথা পড়ে থাকুক জলে ভেজা বিকালে খুঁজে চলুক এই আমি পিলপিল করে অনন্ত "আমি" র অদৃশ্য পর্দার আড়ালে

You may also like...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *